Women Empowerment

আমি মুসাম্মাৎ মাসুদা আক্তার। আমার ব্যবসায়িক ঠিকানা বাগদাদ বুটিকস্ হাউস ২৫৩, (৪থ তলা দঃ পার্শ্ব) উত্তর ইব্রাহীমপুর, কাফরুল, ঢাকা-১২০৬। প্রথম বিনিয়োগ গ্রহন করে কিছু টাকা দিয়ে দোকানের মালামাল কিনি এবং বাকী টাকা পরিবারের জন্য ব্যয় করি। পরবর্তীতে বিনিয়োগ গ্রহন করে তিনি ভালভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। আমি প্রথমবার ২৫,০০০ টাকা বিনিয়োগ গ্রহন করি এবং সর্বশেষ ৪,৭৫,০০০ টাকা বিনিয়োগ গ্রহন করি। বিনিয়োগ গ্রহনের পূর্বে তার আয় ছিল ৫০০-৭০০ টাকা। বর্তমানে আমার আয় ২,০০০-২,৫০০ টাকা। পূর্বের অবস্থা থেকে বর্তমানে খুব আমি খুব ভাল আছেন। আমার ভবিষ্যত পরিকল্পনা চলমান বিনিয়োগ শেষ করে পূনরায় বিনিয়োগ নিয়ে তিনি আমার ব্যবসাকে আরও প্রসারিত করা। বর্তমানে আমি একজন সফল ব্যবসায়ী।

আমি মোছাঃ নাজমা বেগম আগে চায়ের ব্যবসা করতে। আমার ব্যবসায়িক ঠিকানা ১৯২নং ধামাকোর্ট , ভাষানটেক, ঢাকা। এতে আমার সামান্য আয় হত। এই সামান্য আয়ে আমার পরিবারের ভরণপোষন চালানো সম্ভব হচ্ছিল না। আমি বিকল্প ব্যবসার চিন্তা করতে থাকি। ঠিক তখনই আমার পার্শ্ববতী ব্যবসায়ী কবির মহাজনের মাধ্যমে জানতে পারেন দি ঢাকা মাকেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সহজশর্তে বিনিয়োগ দিচ্ছে। পরবর্তীতে আমি উক্ত ফিল্ডের বিনিয়োগ কর্মকর্তার সাথে সাক্ষাৎ করি এবং দি ঢাকা মাকেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক থেকে বিনিয়োগ গ্রহণ করে বর্তমানে আমি একজন সফল ব্যবসায়ী। বিনিয়োগ গ্রহনের পূর্বে ব্যবসার অবস্থা ভাল ছিল না। ব্যবসার মূলধনের উৎস ছিল আতœীয়-স্বজনের নিকট থেকে ধার করা ও জমি বিক্রির টাকা। ডি এম সি বি থেকে বিনিয়োগ গ্রহন করে চায়ের ব্যবসার পাশাপাশি গ্রীলের ব্যবসা পরিচালনা করছি। আমি প্রথমবার ৫০,০০০ টাকা বিনিয়োগ গ্রহন করি এবং সর্বশেষ ৭,৭০,০০০ টাকা বিনিয়োগ গ্রহন করি। বিনিয়োগ গ্রহনের পূর্বে আমার আয় ছিল ২০০-৩০০ টাকা। বর্তমানে আমার আয় ৩,০০০-৩,৫০০ টাকা। পূর্বের অবস্থা থেকে আমি খুব ভাল আছেন। আমার ভবিষ্যত পরিকল্পনা চলমান বিনিয়োগ শেষ করে পূনরায় বিনিয়োগ নিয়ে আমি ব্যবসাকে আরও প্রসারিত করবো।

আমি মোছাঃ সালমা আক্তার। আমার ব্যবসায়িক ঠিকানা ”চমক বুটিকস” সিদ্দিক প্লাজা, বালুঘাট বাজার, ঢাকা ক্যান্ট, ঢাকা। ডিএমসিবিএল প্রতিষ্ঠান থেকে বিনিয়োগ গ্রহণ করে আমি আমার ব্যবসায় অনেক উন্নতি করেছি। প্রতিবার বিনিয়োগ গ্রহন করে ব্যবসায় টাকা খাটিয়েছি এবং তার প্রতিদান অনেক ভালো পেয়েছি। এখন মার্কেটে ভালো কাপড়ের কালেকশনের দোকানের মধ্যে আমার দোকান উল্লেখ্যযোগ্য। বিনিয়োগ গ্রহণের পূর্বে আমি কাপড়ের ব্যবসায় করতেন, দোকান মোটামুটি চলতো। গ্রাহকের মূলধনের উৎস ছিল স্বামীর জামানো টাকা। আমি প্রথমবার ২০০,০০০ টাকা বিনিয়োগ গ্রহন করি এবং সর্বশেষ ২৫,০০,০০০ টাকা বিনিয়োগ গ্রহন করি। বিনিয়োগ গ্রহনের পূর্বে তাহার দৈনিক আয় ছিল ১,৯৫০/- টাকা। বিনিয়োগ গ্রহনের পর (বর্তমান) তাহার দৈনিক আয় ৬,২৫০/-। বিনিয়োগ গ্রহনের পূর্বে অথের্র অভাবে ব্যবসা ভালোভাবে করতে পারতাম না। অন্যান্য ব্যবসায়ী প্রতিযোগীদের সাথে প্রতিয়োগীতায় পেরে উঠতাম না। কিন্তু এখন সবার চেয়ে অনেক ভালো আছি। যখনই ব্যবসার জন্য টাকা লাগছে তখনই খুবেই দ্রুত ডিএমসিবিএল থেকে বিনিয়োগ পেয়ে যাচ্ছি। কাপড়ের ব্যবসা সম্প্রসারণের পাশাপাশি বুটিকস কারখানা বড় পরিসরে সম্প্রসারণ করার ইচ্ছে আছে।

আমি মোছাঃ আসমা পারভীন। আমার ব্যবসায়িক ঠিকানা জিষান ভ্যারাইটিজ ষ্টোর, বালুঘাট বাজার, ঢাকা ক্যান্ট, ঢাকা। ডিএমসিবিএল প্রতিষ্ঠান থেকে বিনিয়োগ গ্রহণ করে আমি আমার ব্যবসায় অনেক উন্নতি করেছি। প্রতিবার বিনিয়োগ গ্রহন করে ব্যবসায় টাকা খাটিয়েছি এবং তার প্রতিদান অনেক ভালো পেয়েছি। এখন মার্কেটে ভালো ফার্ণিচারের দোকানের মধ্যে আমার দোকান উল্লেখ্যযোগ্য। এখন আমি স্বাবলম্বী। ফিল্ড অফিসার কাছ থেকে জানতে পারেন ডিএমসিবিএল সহজ শর্তে উদ্যোমি ও পরিশ্রমি ব্যবসায়ীকে বিনিয়োগ দেয়া হয়। তারপর ব্যবস্থাপক দোকান পরিদর্শন করেন এবং আমি প্রথমবার ১০০,০০০ টাকা বিনিয়োগ গ্রহন করি এবং সর্বশেষ ১০,০০,০০০ টাকা বিনিয়োগ গ্রহন করি। বিনিয়োগ গ্রহণের পূর্বে তিনি ফার্ণিচারের ব্যবসায়ই করতেন, দোকান মোটামুটি চলতো। গ্রাহকের মূলধনের উৎস ছিল বাবা ও স্বামীর জামানো টাকা। বিনিয়োগ গ্রহনের পূর্বে তাহার দৈনিক আয় ছিল ২,১০০/- টাকা। বিনিয়োগ গ্রহনের পর (বর্তমান) তাহার দৈনিক আয় ৭,০০০/-। বিনিয়োগ গ্রহনের পূর্বে অথের্র অভাবে ব্যবসা ভালোভাবে করতে পারতাম না। অন্যান্য ব্যবসায়ী প্রতিযোগীদের সাথে প্রতিয়োগীতায় পেরে উঠতাম না। কিন্তু এখন সবার চেয়ে অনেক ভালো আছি। যখনই ব্যবসার জন্য টাকা লাগছে তখনই খুবেই দ্রুত ডিএমসিবিএল থেকে বিনিয়োগ পেয়ে যাচ্ছি। ফার্ণিচারের ব্যবসার সম্প্রসারণের পাশাপাশি ফার্ণিচার কারখানা বড় পরিসরে সম্প্রসারণ করার ইচ্ছে আছে। যেখান থেকে নিজস্ব দোকানের চাহিদা মিটিয়ে বাইরের ফার্ণিচারের দোকানে সরবরাহ করা যায়।

আমি মোছাঃ আয়েশা আসলাম । আমার ব্যবসায়িক ঠিকানা রংগন বুটিকস মাটিকাটা বেড়িবাধঁ, ঢাকা ক্যান্ট, ঢাকা-১২০৬ । ডিএমসিবিএল প্রতিষ্ঠান থেকে বিনিয়োগ গ্রহণ করে আমি আমার ব্যবসায় অনেক উন্নতি করেছি। প্রতিবার বিনিয়োগ গ্রহন করে ব্যবসায় টাকা খাটিয়েছি এবং তার প্রতিদান অনেক ভালো পেয়েছি। এখন মার্কেটে ভালো কাপড়ের কালেকশনের দোকানের মধ্যে আমার দোকান উল্লেখ্যযোগ্য। এখন আমি নিয়মিত ভারতের কাপড় ব্যবসায়ীদের সাথে সরাসরি ব্যবসায়ীক কাজ সম্পাদন করতে পাচ্ছি। সিনিয়র ফিল্ড অফিসার মোঃ তুহিন মন্ডল-এর কাছ থেকে জানতে পারেন ডিএমসিবিএল সহজ শর্তে উদ্যোমি ও পরিশ্রমি ব্যবসায়ীকে বিনিয়োগ দেয়া হয়। তারপর ব্যবস্থাপক দোকান পরিদর্শন করেন এবং আমি প্রথমবার ৩০০,০০০ টাকা বিনিয়োগ গ্রহন করি এবং সর্বশেষ ১২,০০,০০০ টাকা বিনিয়োগ গ্রহন করি। বিনিয়োগ গ্রহণের পূর্বে তিনি কাপড় তৈরী করা ও কাপড়েরই ব্যবসায় করতেন, দোকান মোটামুটি চলতো। গ্রাহকের মূলধনের উৎস ছিল নিজের ও স্বামীর জামানো টাকা। বুটিকস ব্যবসা আরো বড় পরিসরে সম্প্রসারণ করেন এবং টেইলারিং ব্যবসা শুরু করেন সেখানে ০৪ জন কারিকর কাজ করেন । বিনিয়োগ গ্রহনের পূর্বে তাহার দৈনিক আয় ছিল ২,০০০/- টাকা। বিনিয়োগ গ্রহনের পর (বর্তমান) তাহার দৈনিক আয় ১২,০০০/-। বিনিয়োগ গ্রহনের পূর্বে ওয়াডারী কাপড় তৈরী করতাম অথের্র অভাবে ব্যবসা ভালোভাবে করতে পারতাম না। অন্যান্য ব্যবসায়ী প্রতিযোগীদের সাথে প্রতিয়োগীতায় পেরে উঠতাম না। কিন্তু এখন সবার চেয়ে অনেক ভালো আছি। যখনই ব্যবসার জন্য টাকা লাগছে তখনই খুবেই দ্রুত ডিএমসিবিএল থেকে বিনিয়োগ পেয়ে যাচ্ছি। কাপড়ের ব্যবসাকে বড় পরিসরে সম্প্রসারণ করবো যেখানে অনেক লোক কাজ করে জীবিকা অর্জন করবে।

< Prev12345678910Next