Women Empowerment

আমি মোছাঃ আইরিন, পিতা আলাল উদ্দিন, মাতা জরিনা আক্তার, দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিমিটেড মাওনা শাখার একজন বিনিয়োগ গ্রহিতা । আদ্-দীন বিউটি পার্লার এন্ড কসমেটিকস,বদর বেয়ালা গেইট, আমতলি বাজার, শ্রীপুর, গাজীপুর। পুঁজি সল্পতার কারণে ব্যবসা সম্পসারণ করতে পারছিলাম না। এমতাবস্থায় দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক মাওনা শাখার বিনিয়োগ কর্মকর্তা জনাব মোঃ ফজিদার রহমান এর মারফত জানতে পারলাম অত্র প্রতিষ্টানটি সহজ শর্তে নিষ্টাবান ব্যবসায়ীকে বিনিয়োগ প্রদান করে থাকে। সেই সুবাদে উগঈইখ মাওনা শাখার ব্যবস্থাপকের সাথে সাক্ষাৎ করি। তার ২ (দুই) দিন পর ব্যবস্থাপক মহোদয় আমার ব্যবসা প্রতিষ্টানটি পরিদর্শন করেন এবং প্রথম অবস্থায় ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা বিনিয়োগ প্রদান করেন এরপর থেকে আমাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। পরবর্তীতে উগঈইখ মাওনা শাখা আমার ব্যবসা ভালো দেখে আমার চাহিদা মত ৩ (তিন) বার বিনিয়োগ প্রদান করে। আমি সেই বিনিয়োগ সময় মত পরিশোধ করি। সর্বশেষ আমাকে ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা বিনিয়োগ প্রদান করেন। এভাবে আমার ব্যবসায় সফলতা লাভ হয়, স্বামী সন্তানদের নিয়ে আমি ভালোই আছি। এই ব্যবসা করে আমার বাড়িতে ১৫টি রুম তৈরী করেছি তা থেকে প্রায় প্রতি মাসে ৫০,০০০/- হাজার টাকা ভাড়া পেয়ে থাকি। আমি দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিমিটেড মাওনা শাখার প্রতি কৃতজ্ঞ।

আমি, মোছাঃ মোমেনা বেগম দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ এর প্রিন্সিপাল শাখার একজন বিনিয়োগ গ্রাহক। আমার ব্যবসায়িক ঠিকানা রোড কিং টায়ার এন্ড ব্যাটারি ,ক/৬১/৫ বি র্নদ্দা, গুলশান ঢাকা । আমার স্বামী ও বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে রোড কিং নামে একটি টায়ারের দোকান করি । ঢাকা শহরে টায়ার এবং ব্যাটারি ব্যবসাতে আমি অনেক এগিয়ে আছি । এক সময় টাকার অভাবে আমি ঠিকমত ক্রেতার চাহিদা পুরন করতে পারছিলাম না । হটাৎ একদিন প্রিন্সিপাল শাখার বিনিয়োগ কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ুন কবির একদিন আমার দোকানে আসে এবং সকল প্রকার সুয়োগ সুবিধার কথা বলার পর আমি বিনিয়োগ গ্রহনের আগ্রহী হই । প্রিন্সিপাল শাখা থেকে আমি প্রথমে ২০,০০,০০০/= টাকা নিই । প্রথম বিনিয়োগটি ভালভাবে পরিশোধ করে পরবর্তীতে ৩০,০০,০০০/= টাকা নিয়ে আমি রহিম আপরোজের ডিলার নিই । বর্তমানে আমার ৪০,০০,০০০/= বিনিয়োগ চলছে । বিনিয়োগ গ্রহনের পুর্বে আমার প্রতিদিন ৬০,০০০/= আয় হত, কিন্তু এখন আমার প্রতিদিন আয় হয় ১৪০,০০০/= টাকা । আল্লাহর রহমতে আমি আগের তুলনায় অনেক ভাল আছি । ভবিষতে আমি বিনিয়োগ গ্রহন করে ব্যবসাকে আরও সম্প্রসারন করতে চাই । আমি দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ এর সাফল্য কামনা করছি ।

আমি মিতালী সরকার, আমি আমার স্বামীর সহযোগিতায় মাওনা চৌরাস্তায় কিতাব আলী প্লাজার ৩য় তলায় অংকুর ডিজিটাল স্টুডিও নামে একটি স্টুডিও ব্যবসা শুরু করি। আমার পুঁজি সল্পতার কারণে বড় ধরনে কোন ল্যাব মেশিন ক্রয় করা সম্ভব হচ্ছিল না। এমতাবস্থায় দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক মাওনা শাখার বিনিয়োগ কর্মকর্তা আল-ইমরান এর মারফত জানতে পারিলাম অত্র প্রতিষ্টানটি সহজ শর্তে নিষ্ঠাবান ব্যবসাহীকে বিনিয়োগ প্রদান করে থাকে। সেই সুবাদে মাওনা শাখার ব্যবস্থাপকের সাক্ষাৎ করি। তারপর একদিন পর ব্যবস্থাপক মহোদয় আমার ব্যবসা প্রতিষ্টানটি পরিদর্শন করেন এবং প্রথম অবস্থায় ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা বিনিয়োগ প্রদান করেন এর পর আমাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। পরর্বতীতে মাওনা শাখা আমার ব্যবসা ভালো দেখে আমার চাহিদা মত ৫ (পাঁচ) বার বিনিয়োগ প্রদান করে। আমি সেই বিনিয়োগ সময় মত পরিশোধ করি। সর্বশেষ আমাকে ৬,০০,০০০/- (ছয় লক্ষ) টাকা বিনিয়োগ গ্রহন করেছি। এভাবে আমার ব্যবসায় সফলতা লাভ করে, স্বামী, সন্তানদের নিয়ে ভালোই আছি। এই ব্যবসা করে মাওনা বাজার সংলগ্ন এক খন্ড জমি ক্রয় করি। বিনিয়োগ গ্রহনের পর একটি ল্যাব ও প্রিন্টার মেশিন বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্রয় করেন। এ পর আমি আমার ব্যবসায় অনেক সফলতা লাভ করি। আমি এই প্রতিষ্ঠানের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

আমি হেনারা মুদি মনোহারী ব্যবসায়ী। আমার ব্যবসায়িক ঠিকানা হেনারা ষ্টোর, দক্ষিন মুসলিমবাগ, বার্মনকিত্তা, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা-১৩১০। একজন সফল ব্যবসায়ী”দি ঢাকা মার্কণ্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ’আমার আজকের সফল জীবনের ঠিকানা এনে দিয়েছে যখন পূঁজির অভাবে ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল,এ প্রতিষ্ঠানটিই তখন আমার পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল পুঁজি নিয়ে।প্রতিষ্ঠানটির পুঁজি বিনিয়োগ করে এখন আমি স্বামী-সন্তান নিয়ে ভাল আছি। দারিদ্রতাকে জয় করে আমি সংসারে স্বস্তির ঠিকানা খুজে পেয়েছি।এ কারণে আমি ব্যাংকটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।একথা গুলো বলছিলেন কেরাণীগঞ্জের হেনার।তিনি যখন পূঁজির অভাবে ব্যবসা করতে পারছিলেনা তখন ব্যাংকের ইনভেষ্টমেণ্ট অফিসারের সাথে কথা বলে জানতে পারলাম”দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ”কেরাণীগঞ্জ শাখা সহজ শর্তে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ প্রদান করে থাকে।তার পর আমি আমার সহকর্মী ব্যবসায়ীর সাথে একদিন ব্যাংকে গিয়ে শাখা ব্যবস্থাপকের সাথে কথা বললাম।আমার ব্যবসায়ের বিস্তারিত জানালাম।তিনি আমাকে আমার ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা বিবেচনা করে প্রথমে ৩০,০০০/-টাকার বিনিয়োগ দিলেন। এরপর আর আমাকে পিছন ফিরে তাকতে হয়নি।একে একে বিনিয়োগ নিয়ে পরিশোধ করেছি।সর্বশেষ ১,০০,০০০/-টাকার বিনিয়োগ নিয়ে ব্যবসাকে সম্পসারণ করেছি।আমি এখন সফল ব্যবসায়ী।ডিএমসিবি আমাকে সৎ ও পরিচ্ছন্ন ব্যবসায়ী হতে সাহায্য করেছে।প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সততা ও নিষ্ঠা আমাকে সৎ ব্যবসায়ী হতে প্রেরণা জুগিয়েছে।আমি প্রতিষ্ঠানটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

আমি হোসেন রাহমিনা তাসমিন। আমার ব্যবসায়িক ঠিকানা মাষ্টার শেফ,এসোসিয়েশন ভবন, অলকার মোড়, রাজশাহী। ডিএমসিবিএল থেকে বিনিয়োগ গ্রহন করে আমি আমার মূলধনের সমস্যা পরিপূর্ণ ভাবে সমাধান করেছি। আমি গ্রাহকের চাহিদা অনুসাবে ব্যবসা সম্প্রসারন করতে পেরেছি। ব্যাবসায় পরিধি বৃদ্ধি করেছি। সেবা বৃদ্ধি করেছি। বর্তমানে রাজশাহীতে মাষ্টার শেফ চাইনিজ রেষ্টুরেন্ট এর জগতে এক অন্যতম নাম। আমি রেষ্টুরেন্ট ব্যবসায়ে একজন সফল দৃষ্টান্ত। নারী উদ্যোক্তা হিসাবে আমি অত্যন্ত সুনামের সহিত ব্যবসা পরিচালনা করছি। আমার দ্বারা পরিচালিত চাইনিজ রেষ্টুরেন্ট মাষ্টার শেফ এর নাম এখন রাজশাহী বাসী সবার মুখেমুখে। আমি একজন সফল নারী উদ্দ্যোক্তা। আমি ডিএমসিবিএল এর রাজশাহী শাখা থেকে বর্তমান ৪০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ গ্রহন করে সুনামের সহিত ব্যবসা পরিচালনা করছি এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি করেছি। আমি রাজশাহীর লক্ষীপুরে ১টি বাংলা খাবারের রেস্তোরা গড়ে তুলেছি। আমি এখন সমাজে একজন আর্থিক ভাবে প্রতিষ্ঠিত সফল নারী ব্যাবসায়ী। আমি আমার সফলতার জন্য ডিএমসিবিএল এর কাছে চির ঋনি। আমি আমার সফলতার জন্য এই ব্যাংকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

< Prev12345678910Next