Women Empowerment

আমি শাহিদা বেগম । আমার ব্যবসায়িক নিরিবিলি হোটেল, সাইনবোর্ড বাজার, কচুয়া বাজার ,বাগেরহাট। ব্যবসায়ে ভালো অভিজ্ঞতা থাকলেও নগদ পুঁজির অভাবে ব্যবসা সম্প্রসারন করতে পারছিলাম না। বিনিয়োগ গ্রহনের পূর্বে আমি স্বামীর সাথে স্যানেটারীর রিং বানানোর কাজ করতেন। পূঁজির অভাবে তখন ব্যবসার অবস্থা ভালো ছিল না। ১১ জনের সংসার চালানো খুবই কষ্টকর ছিল। আমি ডিএমসিবি থেকে ৫০,০০০/- টাকা বিনিয়োগ গ্রহন করে হোটেল ব্যবসা শুরু করি। বিনিয়োগ গ্রহনের পর থেকে ব্যবসা সম্প্রসারন করে ব্যবসায়িক ভাবে সফলতা অর্জন করেন। এরপর আর পিছনে তাকাতে হয়নি। বর্তমানে আমি তার বড় ছেলেকে ভ্যান গাড়ী কিনে দিয়েছেন। স্বামী সহ দুইজন ব্যবসা দেখাশুনা করি।

আমি সাজু আক্তার। আমার ব্যবসায়িক ঠিকানা মেসার্স সাজ বিউটি পার্লার, হাসপাতাল গেইট, পটিয়া। বিনিয়োগ গ্রহনের পূবে আমি নিজস্ব স্বল্প পুঁিজ নিয়ে স্বল্প পরিসরে ব্যবসা করতাম। আমি প্রথমে ১০০০০০/- টাকা বিনিয়োগ গ্রহন করি এবং সর্বশেষ ২,০০,০০০/- টাকা বিনিয়োগ গ্রহন করি। আমি আমার ব্যবসা ও সংসার নিয়ে অনেক সুখে আছি। আপনাদেও সহযোগিতার কারণে ক্ষুদ্র মহিলা উদোক্তা হিসেবে বিভিন্ন সংগঠন থেকে স্বর্ণপদক অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। ডিএমসিবিএল এ সহজ শর্তে জামানতবিহীন বিনিয়োগ প্রদানের ফলে আজ আমি স্বনির্ভর হতে পেরে ডিএমসিবিএল এর পরিবারের প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি আমার ব্যবসা ও সংসার নিয়ে অনেক সুখে আছি। আপনাদের সহযোগিতার কারণে ক্ষুদ্র মহিলা উদোক্তা হিসেবে বিভিন্ন সংগঠন থেকে স্বর্ণপদক অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। ডিএমসিবিএল এ সহজ শর্তে জামানতবিহীন বিনিয়োগ প্রদানের ফলে আজ আমি স্বনির্ভর হতে পেরে ডিএমসিবিএল এর পরিবারের প্রতি ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

আমি স্বপ্না চৌধূরী। মেসার্স স্বপ্না ক্লথ ষ্টোর, আদালত রোড, পটিয়া। বিনিয়োগ গ্রহনের পূবে আমি নিজস্ব স্বল্প পুঁিজ নিয়ে স্বল্প পরিসরে ব্যবসা করতাম। আমি প্রথমে ১০০০০০/- টাকা বিনিয়োগ গ্রহন করি এবং সর্বশেষ ৫০,০০০/- টাকা বিনিয়োগ গ্রহন করি। আমার এই ছোট্ট পরিসরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে কিছু সঞ্চয় করব সেই ইচ্ছা বাস্তবায়ন করার সুযোগ হইনি। বর্তমানে আমি আমার ব্যবসার আয় থেকে দৈনিক ও মাসিক সঞ্চয় করেছি যা আমার ববিষ্যতে অনেক উপকারে আসবে বলে আমার বিশ্বাস। ডিএমসিবিএল থেকে বিনিয়োগ গ্রহণ করার পর আমি আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে দৈনিক ৫,৫০০/- আয় করি এবং তা বিনিয়োগ গ্রহণ করার পূর্বের আয় ছিল ৩,৩০০/-। তার পাশাপাশি আমি কিছু স্থাবর সম্পত্তির ক্রয় করতে সকক্ষম হয়েছি। তাই ডিএমসিবিএল কে অসংখ্য ধন্যবাদ। পূর্বে ছোট্ট আকারে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা হলেও বর্তমানে ডিএমসিবিএল এ সহজ শর্তে জামানতবিহীন বিনিয়োগ প্রদানের ফলে পুজিঁ নিয়ে আর কোন প্রকার চাপ অনুভব করিনা। তাই আমি ডিএমসিবিএল এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

আমি জয়া সাংমা। আমার ব্যবসায়িক ঠিকানা সাজ বিউটি পার্লার, আলহাজ্ব আবুল হাশেম প্লাজা, চৌরঙ্গী রোড, গোপালগঞ্জ। আমি যখন পুজির অভাবে ভালভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছিলেননা তখন একদিন দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো- অপারেটিভ ব্যাংক লিমিটেড এর গোপালগঞ্জ শাখার সিনিয়র ইনভেস্টমেন্ট অফিসার মোঃ শহিদুল ইসলাম দোকানে যান এবং ব্যাংকের বিনিয়োগ সংক্রান্ সুযোগ সুবিধার কথা বলেন। মূলত এখান থেকেই আমি ব্যাংক সম্পর্কে জানতে পারেন। আমি ছিল উপজাতি সমম্প্রদায় বিধায় গ্রাহক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শুরু করার পর কোন যায়গা থেকেই ঋণ গ্রহন করতে পারছিলেন না। তাছারা ব্যবসা শুরু করার আগে অন্যের দোকানে মজুরী ভিত্তিক কাজ করতাম। এরপর বিভিন্ন জনের কাছ থেকে ধার করে ব্যবসা পরিচালনা শুরু করেছিলাম। ডিএমসিবি থেকে প্রথমে আমি ১,০০,০০০/- বিনিয়োগ গ্রহন করি এবং সর্বশেষ ৩,০০,০০০/- বিনিয়োগ চলছে। বিনিয়োগ গ্রহনের পূর্বে তার দৈনিক আয় ছিল ৩০০-৪০০ টাকা। বর্তমানে আমার দৈনিক আয় ৪০০০-৪৫০০ টাকা। বিনিয়োগ গ্রহনের পর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আরও সম্প্রসারিত হয়েছে। পার্লার ব্যবসার পাশাপাশি এখন তিনি সেখানে মেয়েদের পার্লার এর উপর প্রশিক্ষন দেন। এখন আমি আগের থেকে আরও বেশী টাকা রোজগার করি এবং একজন সফল ব্যবসায়ী।

আমি খুরশিদা আলম। । আমার ব্যবসায়িক ঠিকানা রুবাইয়া ফ্যাশন হাউজ ও গিফট কর্ণার, বীণাপানি রোড, গোপালগঞ্জ। আমি যখন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শুরু করার পর যখন পুজির অভাবে ভালভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারছিলেননা তখন একদিন দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো- অপারেটিভ ব্যাংক লিমিটেড এর গোপালগঞ্জ শাখার সিনিয়র ইনভেস্টমেন্ট অফিসার মোঃ আফাজ উদ্দিন আমার দোকানে যান এবং ব্যাংকের বিনিয়োগ সংক্রান্ সুযোগ সুবিধার কথা বলেন এবং আমাকে ঋণ গ্রহনে উদ্ভুদ্ধ করেন। মূলত তিনি এখান থেকেই ব্যাংক সম্পর্কে জানতে পারি ও ঋণ গ্রহন করি। ডিএমসিবি থেকে প্রথমে আমি ১,০০,০০০/- বিনিয়োগ গ্রহন করি এবং সর্বশেষ ৫,০০,০০০/- বিনিয়োগ চলছে। আমি স্বামী দ্বারা নির্যাতিত একজন অসহায় মহিলা। যার কারনে সে তার ছোট্ট একটি মেয়ে নিয়ে বাবার বাড়ি বসবাস শুরু করি। কোন উপায় খুজে না পেয়ে অবশেষে বাবার কাছ থেকে কিছু অর্থ নিয়ে তিনি বিনিয়োগ গ্রহনের পূর্বে ছোট একটি কসমেটিকস এর দোকান দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা শুরু করেন । কিন্তু পূজির অভাবে ভালমত ব্যবসা পরিচালনাকরতে পারছিলাম না। বিনিয়োগ গ্রহনের পর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আরও সম্প্রসারিত করেছেন। কসমেটিকস এর পাশাপাশি এখন আমি বিভিন্ন প্রকারের গিফট সামগ্রী বিক্রি করি। এখন আমি আগের থেকে আরও বেশী টাকা রোজগার করেন এবং একজন সফল ব্যবসায়ী।

< Prev12345678910Next