Total Visitor web counter Counting since March 26, 2008

Our Members

Branch Name : Saidpur ,   Rangpur
Branch Code : 049

"কসমেটিক্স জগতের অন্যতম মেসার্স শিমুল শ্রাবন এন্টারপ্রাইজ"

আমি মোঃ নাজমুল হুদা খান ফিরোজ " দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ " এর সৈয়দপুর শাখার একজন বিনিয়োগ গ্রহীতা। আমার একটি ছোট কসমেটিক্স এর দোকান ছিল যেখানে পুঁজির পরিমান ছিল খুবই সামান্য। আমার স্বপ্ন ছিল একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হওয়া। কিন্তু পুঁজির অভাবে ব্যবসাকে বড় করতে পারছিলাম না। এমন সময় আমার এক ব্যবসায়ী বন্ধু আমাকে " দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ " এর সহজ শর্তে বিনিয়োগ প্রদানের কথা জানায়।
আমি প্রথমে ফিল্ড অফিসার জনাব আব্দুর রহিম এর সাথে কথা বলে বিষয়টি সমন্ধে অবহিত হই। তারপর তার কথা মত ব্যাংকের সৈয়দপুর শাখায় চলে আসি এবং শাখা ব্যবস্থাপক জনাব আব্দুর রাজ্জাক এর সাথে দেখা করে আমার ব্যবসার কথা বলি। শাখা ব্যবস্থাপক আমাকে ক্ষুদ্র বিনিয়োগ প্রকল্পের আওতায় সহজ শর্তে জামানত বিহীন ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা বিনিয়োগ প্রদান করেন। আমি কিস্তির মাধ্যমে খুব সহজেই মেয়াদের মধ্যে বিনিয়োগের টাকা পরিশোধ করতে সক্ষম হই। প্রথম বিনিয়োগ পরিশোধের পর ২,৫০,০০০/-(দুই লক্ষ পঁঞ্চাশ হাজার) টাকা বিনিয়োগ গ্রহন করি। আমার ছোট একটি কসমেটিক্সের দোকান থেকে আজ আমি সতেরটি কোম্পানির পরিবেশক হয়েছি। এ পর্যন্ত আমি পাঁচবার বিনিয়োগ গ্রহন করেছি। বর্তমানে আমার ব্যবসায় ১২,০০,০০০/- (বার লক্ষ) টাকার বিনিয়োগ চলমান আছে। " দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ " এর সহজ শর্তে জামানত বিহীন বিনিয়োগ আজ আমার স্বপ্ন পূরন করেছে। জামানত বিহীন সহজ শর্তে বিনিয়োগ প্রদানের জন্য আমি ব্যাংকের কাছে চিরকৃতজ্ঞ। আমি " দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ " এর সমৃদ্ধি ও উন্নতি কামনা করছি।

Branch Name : Chapai Nawabgonj,   Rajshahi
Branch Code : 052

"ডিএমসিবিএল, এর সহায়তায় নজরুল ইসলাম এখন সফল ব্যবসায়ী "

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার নিউ মার্কেট, তহা বাজার এলাকার " নজরুল মুদিখানার দোকান " এর স্বত্ত্বাধিকারী মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন- " দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ " এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার বিনিয়োগ নিয়ে আমি এখন সফল ব্যবসায়ী। ব্যাংকটির সহায়তার কারনে আমাকে এখন আর পুঁজির চিন্তা করতে হয়না।
মোঃ নজরুল ইসলাম স্বল্প পুঁজি নিয়ে ছোট পরিসরে মুদি ব্যবসা শুরু করেন। স্বপ্ন ছিল ব্যবসাকে বড় করার কিন্তু পুঁজির অভাবে ব্যবসা সম্প্রসারন করতে পারছিলেন না। একদিন " দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ " এর চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার ফিল্ড কর্মকর্তা মাসুদ রানার মাধ্যমে জানতে পারলেন ব্যাংকটি সৎ ও নিষ্ঠাবান ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সহজ শর্তে বিনা জামানতে বিনিয়োগ প্রদান করে। ফিল্ড কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী নজরুল ইসলাম একদিন ব্যাংকে গিয়ে শাখা ব্যাস্থাপক মোঃ আহসান হাবিব এর সাথে দেখা করে তার ব্যবসার বিস্তারিত জানালেন। শাখা ব্যবস্থাপক তার ব্যবসার বিস্তারিত জেনে গত ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর প্রথমে তাকে ৫০ হাজার টাকার বিনিয়োগ দিলেন। এ টাকা দিয়ে নজরূল ইসলাম তার ব্যবসা সম্প্রসারন করলেন। এর পর আর নজরুলকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নী। একে একে ১৭ বার বিনিয়োগ নিয়ে সময়মত পরিশোধ করেছেন। অবশেষে গত ২০১৫ সালের ০৪ মার্চ ৫০ হাজার টাকার বিনিয়োগ নিয়ে নজরুল ইসলাম তার ব্যবসার পরিধিকে আরো বাড়িয়েছেন। এ সব কিছু সম্ভব হয়েছে ডিএমসিবিএল এর বিনিয়োগ ব্যবহার করে। এ কারনে নজরুল ইসলাম ব্যাংকটির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

Branch Name : Kansat ,   Rajshahi
Branch Code : 053

"পলাশ ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ এন্ড ষ্টীল হাউস, একটি সফল প্রতিষ্ঠানের নাম"

চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট এলাকার " পলাশ ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ এন্ড ষ্টীল হাউস " এর স্বত্ত্বাধিকারী মোঃ আফসার হোসেন বলেন- দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ,কানসাট শাখার বিনিয়োগ ব্যবহার করে আমার ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান পলাশ ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ এন্ড ষ্টীল হাউস একটি প্রতিষ্ঠিত সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নিয়েছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে প্রতিষ্ঠানটি অনেক দূর এগিয়ে যাবে।

মোঃ আফসার হোসেন বলেন-নিজের সামান্য পূঁজি নিয়ে ছোট একটি ওয়ার্কশপ এর দোকান করি। ইচ্ছে থাকলেও পূঁজির অভাবে ব্যবসা সম্প্রসারন করতে পারছিলাম না। একদিন ডিএমসিবিএল এর কানসাট শাখার জনৈক ফিল্ড কর্মকর্তারমাধ্যমে জানতে পারলাম ব্যাংকটি সৎ ও নিষ্ঠাবান ব্যবসায়ীদের সহজ শর্তে বিনা জামানতে বিনিয়োগ প্রদান করে। ফিল্ড কর্মকর্তার পরামর্শে আফসার হোসেন একদিন ব্যাংকে গিয়ে শাখা ব্যবস্থাপকের সাথে কথা বলেন। শাখা ব্যবস্থাপক তার ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা ও উৎসাহ দেখে গত ২০০৮ সালের ১৩ জুলাই তাকে ১ লক্ষ টাকার বিনিয়োগ দিলেন। এরপর আর আফসার হোসেনকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একে একে বিনিয়োগ নিয়ে সময়মত কিস্তি পরিশোধ করেছেন সেই সাথে ব্যবসাকেও সম্প্রসারিত করেছেন। অবশেষে গত ২০১৩ সালের ২৫ ফেব্রম্নয়ারী ৯ লক্ষ টাকার বিনিয়োগ নিয়ে তার ব্যবসাকে ব্যাপক সম্প্রসারন করেছে। ফলে তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান " পলাশ ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ এন্ড ষ্টীল হাউস " আজ একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নিয়েছে। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানে৪০ জন কর্মচারী কাজ করে। আর এ সব কিছু সম্ভব হয়েছে " ডিএমসিবিএল " এর কানসাট শাখার বিনিয়োগ সহযোগিতা নিয়ে। এ কারণে এ ব্যাংকটির সাথে আফতাব কখনও সম্পর্ক নষ্ট করবেন না।

Branch Name : Natore ,   Rajshahi
Branch Code : 055

"ডিএমসিবিএল, এর সহায়তায় জয়দেব চন্দ্র সাহা এখন সফল ব্যবসায়ী "

নাটোর গুরুদাসপুর এলাকার জয়া গার্মেন্টস এর মালিক জয়দেব চন্দ্র সাহা বলেন " দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ " এর নাটোর শাখার বিনিয়োগ নিয়ে তার গার্মেন্টস ব্যবসার পরিধি অনেক বড় হয়েছে। ফলে প্রতিষ্ঠানটি এখন একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রুপ নিয়েছে। নগদ পুঁজির অভাবে জয়দেব চন্দ্র সাহা তার ব্যবসা সম্প্রসারন করতে পারছিলেন না।
একদিন ডিএমসিবিএল এর নাটোর শাখার একজন ফিল্ড কর্মকর্তার মাধ্যমে জানতে পারলেন ব্যাংকটি সৎ, নিষ্ঠাবান ও দায়িত্বশীল ব্যবসায়ীদের সহজ শর্তে বিনা জামানতে বিনিয়োগ প্রদান করে। ফিল্ড কর্মকর্তার পরামর্শ অনুযায়ী মিঃ জয়দেব চন্দ্র একদিন ব্যাংকে গিয়ে শাখা ব্যাস্থাপক মোঃ সুজাউদ্দৌলা খান এর সাথে কথা বলেন। শাখা ব্যবস্থাপক জয়দেব চন্দ্র সাহার ব্যবসায়ীক অভিজ্ঞতা ও উৎসাহ দেখে গত ২০১০ সালের ০৭ জুন প্রথমে ২.০০ লক্ষ টাকার বিনিয়োগ দিলেন। এ টাকা দিয়ে জয়দেব চন্দ্র তার ব্যবসা সম্প্রসারন শুরু করলেন। এরপর একে এক ০৬ বার বিনিয়োগ নিয়ে সময়মত পরিশোধ করেছেন। অবশেষে গত ২০১৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারী ১২.০০ লক্ষ টাকার বিনিয়োগ নিয়ে তার ব্যবসাকে আরো সম্প্রসারিত করেছেন। এ প্রসঙ্গে জয়দেব চন্দ্র সাহা মনে করেন " দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ
" এর নাটোর শাখা তার স্বপ্ন পূরণে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। এ কারনে তিনি ব্যাংকটিকে আমরন মনে রাখবেন।

Branch Name : Thakurgaon,   Rangpur
Branch Code : 058

"ডিএমসিবিএল আমার ব্যবসার সফলতার একমাত্র দাবিদার"

আমি মোঃ আব্দুল মজিদ " দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ " এর ঠাকুরগাঁও শাখার একজন বিনিয়োগ গ্রহিতা। প্রাথমিক অবস্থায় মা বাবা ভাইবোন মিলে একমাত্র বাবার আয়ে আমরা অনাহারে অর্ধাহারে দিন অতিবাহিত করতাম। বাবা মারা যাবার পর বড়ভাই বাবার ভাঙ্গারী ব্যবসা দেখাশুনা করতেন। কিন্তু আয় কম হওয়ায় আমি দেশের বাইরে যেতে বাধ্য হই একটু পারিবারিক স্বচ্ছলতার জন্য। কিন্তু তাতেও লাভ হচ্ছিল না।
এরপর পনের বছর সিঙ্গাপুর থেকে দেশে এসে নিজের জমানো কিছু টাকা আর জমি বিক্রি করে একটি ক্রোকারিজের দোকান দেই। কিন্তু সেই টাকা দিয়েও ব্যবসা বড় করতে পারছিলাম না। এরপর একদিন " দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ " এর একজন ফিল্ড অফিসার মোঃ আব্দুল বাতেন আমাকে একটি লিফলেট দিয়ে বললেন সহজ শর্তে জামানত বিহীন বিনিয়োগের কথা। তার কথামত ব্যাংকে গিয়ে ব্যবস্থাপক মহোদয়কে সব খুলে বলি। আমার দোকান পরিদর্শন শেষে ব্যাংক থেকে আমাকে প্রথমে ২,০০,০০০/- টাকা ঋণ/ বিনিয়োগ প্রদান করে। আমি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা পরিশোধ করি। এভাবে বারবার বিনিয়োগ গ্রহন করে দোকানে প্রচুর পরিমানে ক্রোকারিজ সামগ্রী তুলে পূর্ণদ্যোমে ব্যবসা শুরু করি। আস্তে আস্তে ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি করি। বর্তমানে আমার ০৭(সাত) টি দোকান রয়েছে। বর্তমানে আমার ১০,০০,০০০/- টাকা বিনিয়োগ চলমান। " দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ " আমার ব্যবসার সফলতার একমাত্র দাবিদার। আমি ব্যাংকের সফলতা কামনা করি। ব্যাংকের কাছে আমি ও আমার পরিবার চিরকৃতজ্ঞ।

Branch Name : Sunamgonj ,   Sylhet
Branch Code : 059

"জান্নাত এন্টারপ্রাইজ এর অপর নাম ডিএমসিবি"

বর্তমানে আমি সুনামগঞ্জ শহরে স্যানেটারী মালামাল বিক্রীর একজন সফল ব্যবসায়ী। ব্যবসার শুরুতে পুঁজির অভাবে ব্যবসা পরিচালনা করা আমার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছিল ঠিক তখনি ব্যাংকের ফিল্ড অফিসার জনাব প্রণব রঞ্জন দাস এর কাছ থেকে জানতে পারলাম যে " দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ " সহজ শর্তে জামানত বিহীন বিনিয়োগ দিয়ে থাকে। আমি তখন ফিল্ড অফিসারের সহযোগীতায় ব্যবস্থাপক জনাব নৃপেশ রঞ্জন তালুকদার এর কাছে আমার ব্যবসার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরি
তিনি আমার ব্যবসার প্রয়োজন অনুভব করে আমাকে বিনিয়োগ প্রদান করেন সহজ কিস্তিতে এবং আমিও খুব সহজেই কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে থাকি। আজ আমার এই সফলতার পিছনে " দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ " এর সুনামগঞ্জ শাখার ভূমিকা অপরিসীম এবং এ জন্য ব্যাংকটির নিকট আমি চির কৃতজ্ঞ, সেই সাথে আমার সততা, নিষ্ঠা, পরিশ্রম এবং কর্মের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আল্লাহর রহমতে এখন আমি একজন সফল ব্যবসায়ী। মূলত এ ব্যাংকটি আমার এ স্বচ্ছলতার ঠিকানা। আমি প্রায় ৬ বছর যাবৎ নিয়মিত বিনিয়োগ নিয়ে সময়মত পরিশোধ করে নিজেকে একজন অন্যতম সেরা গ্রাহক হিসাবে পরিচিত করতে সক্ষম হয়েছি। আমি ভবিষ্যতেও অনুরুপভাবে বিনিয়োগের টাকা যথাযথ ব্যবহার করে অনেক দূর যাবো এ স্বপ্ন নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। এবং সেই সাথে এই ব্যাংকের সার্বিক সফলতা কামনা করি যেন আমার মতো হাজার হাজার উদ্যোক্তা ব্যবসায় মাইলফলক হিসেবে সমাজে অবদান রাখতে এবং অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সচেষ্ট থাকে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে।

< Prev123456789Next