Our Clients

Branch Name : Tongi ,   Dhaka
Branch Code : 026

" রেমিডন হোমিও ফার্মেসী, গন মানুষের সু-চিকিৎসার ঠিকানা "

টঙ্গী থানার দত্তপাড়া বনমালা রোডে, আমি একটি হোমিও চিকিৎসালয় স্থাপন করি। পুজির স্বল্পতার কারনে আমার ব্যবসা ভালো ভাবে চলছিল না। অনেক দামি দামি ঔষধ সংগ্রহ করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছিল না। ফলে অনেক রোগী ঔষধের জন্য ফেরত যেত। এমন সময় আমার পাশের ব্যবসায়ীর মারফত জানতে পারলাম যে " দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ " এর টঙ্গী শাখায় সহজ শর্তে জামানত বিহীন ইসলামী শরীয়াহ্ মোতাবেক বিনিয়োগ দিয়ে থাকে। একদিন অত্র ব্যাংকের ফিল্ড অফিসার মোঃ হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে আলাপ করে ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ সফিকুল ইসলাম সাহেবের সাথে সাক্ষাত করি। ব্যবস্থাপক আমার সব কথা শুনে প্রথমে আমাকে ব্যাংকের সদস্য করে। ব্যবস্থাপক আমার দোকান ভিাজট করে আমাকে প্রথমে গত ২৩.০২.২০১১ইং তারিখে ১ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ প্রদান করে। এভাবে একের পর এক বিনিয়োগ গ্রহন করে আমি দৈনিক কিস্তির মাধ্যমে খুব সহজেই মেয়াদের মধ্যে বিনিয়োগের টাকা পরিশোধ করতে সাক্ষম হই। সর্বশেষ গত ০৭.০৫.১৫ইং তারিখে ৪ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ নিয়ে আমি ব্যবসাকে খুচরা বিক্রেতা থেকে পাইকারী বিক্রেতায় উনীণত করি। এই দোকান থেকে আমার পরিবার, ব্যাংকের কিসিত্মর টাকা ও ছেলে মেয়ের পড়াশুনার খরচ চলে। বারতি কিছু টাকা আমি সঞ্চয় করে রাখি। ডিএমসিবিএল এর সহজ শর্তে জামানত বিহীন বিনিয়োগ দিয়ে আমার পুজিঁর অভাব দুর করেছে। এক কথায় বলতে গেলে ডিএমসিবিএল আমার ফার্মেসীকে গন মানুষের চিকিৎসার ঠিকানায় পরিনত করেছে।আমি এর সমৃদ্ধি ও উন্নতি কামনা করছি।

Branch Name : Khulna,   Khulna
Branch Code : 028

" আল্লাহর রহমতে আমি পূর্বের থেকে অনেক বেশি স্বাবলম্বী "

খুলনার নিউ মার্কেট এলাকার তৈরী কাপড় ব্যবসায়ী মোঃ আলী হোসেন বলেন, দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ এর সহযোগীতার কারনে আলস্নাহ তাকে পূর্বের থেকে অনেক বেশী স্বাবলম্বী করেছেন।
মোঃ আলী হোসেন ছিলেন একজন ছোট শাড়ী, লুঙ্গী ও তৈরী পোষাক বিক্রেতা। তবে তার স্বপ্ন ছিল তিনি একজন বড় ব্যবসায়ী হবেন। কিন্তু পুঁজির অভাবে যখন তিনি ব্যবসা বড় করতে পারছিলেন না তখন তার সঙ্গে পরিচয় হয় খুলনা শাখার ফিল্ড কর্মকর্তা জনাব মোঃ ফারুক শিকদার এর সাথে। ফিল্ড কর্মকর্তার পরামর্শক্রমে তিনি শাখা ব্যবস্থাপক লিওন আরাফাত এর সাথে দেখা করলে ব্যবস্থাপক তাকে প্রথমত ১৬/০৪/০৫ইং তারিখে ত্রিশ হাজার টাকা বিনিয়োগ প্রদান করেন। এরপর শুরু হয় মোঃ আলী হোসেনের এগিয়ে যাবার পালা, তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। তার ব্যবসার পরিধিও দিনদিন বৃদ্ধি পায়। এরপর তিনি মোট ২৮বার বিনিয়োগ গ্রহন করেন এবং সুনামের সহিত পরিশোধ করেন। বর্তমানে তিনি আগের থেকে অনেক ভাল আছেন আর তা সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ এর সহযোগিতার কারনে। এজন্য তিনি ব্যাংকটির কাছে চিরকৃতজ্ঞ।

Branch Name : Jessore,   Khulna
Branch Code : 029

" ডিএমসিবিএল, আমার মুলধনের অভাব পুরণ করেছে "

যশোর বড় মাছ বাজার কোতয়ালী রোডের " মামা ভাগ্নে বয়লার ফ্লেস " এর মালিক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন- সামান্য পুঁজি নিয়ে ছোট আকারে ব্রয়লার ব্যবসা শুরু করি। " দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ " এর যশোর শাখার বিনিয়োগ নিয়ে এখন আমি সফল ব্যবসায়ী।

মামা ভাগ্নে ব্রয়লার প্লেস এর স্বত্ত্বাধিকারী মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন-পুঁজির স্বল্পতার কারনে তার ব্যবসা ভাল ভাবে চলছিলনা ফলে সংসারে আর্থিক স্বচ্ছলতা আসেনি। পুঁজির জন্য তার ব্যবসা সম্প্রসারন করতে পারছিলাম না তখন ব্যাংকটির যশোর শাখার ফিল্ড কর্মকর্তা মোঃ জয়নাল আবেদীনের মাধ্যমে জানতে পারলেন " দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ " এর যশোর শাখা সৎ ও নিষ্ঠাবান ব্যবসায়ীদের সহজ শর্তে বিনা জামানতে বিনিয়োগ প্রদান করে। ফিল্ড কর্মকর্তার পরামর্শে আব্দুর রাজ্জাক একদিন ব্যাংকে গিয়ে শাখা ব্যাস্থাপক মোঃ শাহাদাত হোসেন এর সাথে কথা বলেন। শাখা ব্যবস্থাপক তার ব্যবসায়ীক অভিজ্ঞতা ও উৎসাহ দেখে গত ২০১১ সালের ০৮ অক্টবর প্রথমে তাকে ১.০০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ প্রদান করেন। এর পর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নী। একে একে বিনিয়োগ নিয়ে প্রতিবারই সময়মত কিস্তি পরিশোধ করেছেন। অবশেষে গত ২০১৫ সালের ২০ মে ৩.০০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ নিয়ে তার ব্যবসাকে আরো সম্প্রসারন করেন। তিনি সব প্রকার মুরগীর পাইকারী ও খুচরা বিক্রেতা হিসাবে সুনাম অর্জন করেছেন। তিনি মনে করেন- তার এই সফলতার পেছনে রয়েছে " দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ " এর যশোর শাখার অনন্য ভূমিকা।

Branch Name : Sylhet,   Sylhet
Branch Code : 030

" পুঁজি নিয়ে ভাবনা ! আর না ! "

আমি মোঃ মমিনুর রশিদ বেগ একজন ব্যবসায়ী। সিলেটের ষ্টেশন রোড পুলের মুখ এলাকায় ১টি ঘড়ি ও মোবাইলের দোকান আমার। পুঁজির অভাবে ব্যবসা করা কঠিন হয়ে পড়ছিল আমার।
একদিন " দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ " এর মাঠকর্মী জনাব সাগর রায়ের সাথে পরিচয় হয় এবং তার মাধ্যমে জানতে পারি যে এই ব্যাংকটি সহজ শর্তে বিনা জামানতে বিনিয়োগ প্রদান করে। এরপর একদিন ব্যাংকে গিয়ে ব্যাংকের ম্যানেজার জনাব সত্যেন্দ্র দেব নাথ এর সাথে এ বিষয়ে আলোচনা করি এবং প্রথম অবস্থায় ৬০,০০০/-টাকা বিনিয়োগ গ্রহন করি। বিনিয়োগটি সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে ব্যবসা করে সময়মত পরিশোধ করি। এরপর আরোও কয়েকবার বিনিয়োগ গ্রহন করি। পরবর্তীতে আমাকে ব্যবসার পুঁজি নিয়ে আর চিন্তা করতে হয় নাই। বর্তমানে আমি একজন সফল ব্যবসায়ী। এর জন্য আমি " দি ঢাকা মার্কেন্টাইল কো-অপারেটিভ ব্যাংক লিঃ " এর প্রতি কৃতজ্ঞ।

< Prev12345678910111213Next